mujib

এই দিনে বাংলাদেশের জাতির পিতা, সংগ্রামীদের অবলম্বন, ভালোবাসার নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর পরিবার শতাব্দীর ঘৃণিত আক্রমণে প্রাণ হারান নিজ বাসভবনে।ক্ষতিটা শুধু তাঁর শোক সন্তপ্ত পরিবারের নয়, ক্ষতিটা এক স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের।তাইতো, বিবিসির এক নিউজে বলা হয়েছিলো- “শেখ মুজিব নিহত হলেন তার নিজেরই সেনাবাহিনীর হাতে।অথচ তাকে হত্যা করতে পাকিস্তানিরা সংকোচবোধ করেছে।” তাঁর মৃত্যুর যন্ত্রণা কাঁদিয়েছে বিশ্বনেতাদের।শোষিত মানুষেরা হয়েছে আশ্রয়হারা। এ শোকের প্রতিধ্বনি আজও বিশ্ব ইতিহাসে কান পাতলে শুনতে পাওয়া যায়।

ধানমন্ডির বাসভবনে শুধু বঙ্গবন্ধু নন, নৃশংসতার শিকার হন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা, বড় ছেলে শেখ কামাল,মেঝ সন্তান শেখ জামাল, কনিষ্ঠ সন্তান শেখ রাসেল, শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা কামাল,
শেখ জামালের স্ত্রী রোজি জামাল, বঙ্গবন্ধুর ভাই শেখ নাসের, স্পেশাল ব্রাঞ্চ অফিসার সিদ্দিকুর রহমান, কর্ণেল জামিল, সৈনিক  সৈয়দ মাহবুবুল হক।

কিন্তু বঙ্গবন্ধুর খুনিরা কোনদিন কল্পনাও করেনি, এক হত্যাকাণ্ডে বাঙালির সত্ত্বা নাড়িয়ে দেওয়া যায় না। কারণ, মৃত্যু মানুষের হয়, তাঁর দেখানো পথের নয়।

আজও আমাদের অন্ধকারতম সময়ে আলোর পথ খুঁজে পাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, চিন্তা এবং বিশ্বাসে। কারণ, যতদিন পৃথিবী আছে ততদিন যেমন সূর্য থাকবে, তেমনই যতদিন বাংলাদেশ আছে বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকবে।

বিভার কান্ট্রি টাইমসের পাতায় ১৫ আগস্ট