mujib

ফটো আর্কাইভ

ঐতিহাসিক মুজিব –ইন্দিরা চুক্তি স্বাক্ষরকালে শেখ মুজিবুর রহমান

ঐতিহাসিক মুজিব –ইন্দিরা চুক্তি স্বাক্ষরকালে শেখ মুজিবুর রহমান

ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন শেখ মুজিবুর রহমান

ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সাথে সপরিবারের শেখ মুজিবুর রহমান

ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সাথে সস্ত্রীক শেখ মুজিবুর রহমান

জাতিসংঘের মহাসচিব জেনারেল কার্ট ওয়াল্ডহেইমের সাথে শেখ মুজিবুর রহমানের সাক্ষাৎ

প্রিন্স সদরুদ্দিন আগা খানের সাথে শেখ মুজিবুর রহমান

জাম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট কেনেথ কাউন্ডার সাথে শেখ মুজিবুর রহমান

ইরাকের প্রেসিডেন্ট আহমেদ হাসান আল বকরের সাথে শেখ মুজিবুর রহমান

সাদ্দাম হোসেন এবং ইরাকের বিপ্লবী কমান্ড কাউন্সিলের সাথে আলোচনারত শেখ মুজিবুর রহমান ( অক্টোবর, ১৯৭৪)

মালয়েশিয়ার রাজা আব্দুল হালিম এবং শেখ মুজিবুর রহমান

কুয়েতের আমিরের সাথে শেখ মুজিবুর রহমান

হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট জেরাল্ড ফোর্ডের সাথে শেখ মুজিবুর রহমান

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট হাফিজ আল-আসাদের সাথে আলোচনায় শেখ মুজিবুর রহমান

ক্রেমলিনে বক্তৃতা দেয়ার সময় শেখ মুজিবুর রহমান

শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাগত জানাচ্ছেন সোভিয়েত নেতা আলেক্সাই কোসিগিন

সেনেগালের প্রেসিডেন্ট লিওপল্ড সেদার সেনঘরের সাথে শেখ মুজিবুর রহমান

১৯৭৩ সালে আলজেরিয়ায় জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে বক্তৃতা দেয়ার সময় শেখ মুজিবুর রহমান

স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম শহীদ দিবস উদযাপন, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ দেয়ার সময় শেখ মুজিবুর রহমান (২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪)

দৈনিক বাংলার বাণী পত্রিকার উদ্বোধনী সংখ্যা দেখছেন শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর পাশে পত্রিকার সম্পাদক-প্রকাশক শেখ ফজলুল হক মনি

বাংলা সাহিত্য সম্মেলন- ১৯৭৪

বাংলাদেশ সফরকারী মিশরীয় ট্রেড মিশনের একজন সদস্য শেখ মুজিবুর রহমানকে পবিত্র কুরআনের ক্যালিগ্রাফি উপহার দিচ্ছেন।

মন্ত্রীসভায় শেখ মুজিবুর রহমান

কর্মস্থলের পথে জনতার উদ্দেশ্যে হাত নাড়ছেন শেখ মুজিবুর রহমান

হযরত আব্দুল কাদির জিলানী (র)-এর মাজার থেকে দেওয়া নকশা করা একটি চাদর গ্রহণ করছেন শেখ মুজিবুর রহমান

বার্মা’র প্রেসিডেন্ট নে উইন-এর সাথে শেখ মুজিবুর রহমান

দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করছেন শেখ মুজিবুর রহমান -১৯৭৩

সংযুক্ত আরব-আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ জায়েদ বিন সুলতান-আল-নাহিয়ানের সাথে শেখ মুজিবুর রহমান

জাতিসংঘের মহাসচিব কার্ট ওয়াল্ডহেইমের সাথে আলোচনারত শেখ মুজিবুর রহমান

পিতা–মাতাসহ সপরিবারে শেখ মুজিবুর রহমান

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথের সাথে করমর্দনরত শেখ মুজিবুর রহমান

পল্লীকবি জসীম উদ্‌দীন সাথে শেখ মুজিবুর রহমান

আহাররত শেখ মুজিবুর রহমান, পাশে দাঁড়িয়ে আছেন স্ত্রী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব

নিউজ উইক ম্যাগাজিনে ১৯৭১ সালের এপ্রিল সংখ্যার প্রচ্ছদে শেখ মুজিবুর রহমান।

ফুটবল খেলোয়াড় শেখ মুজিবুর রহমান।১৯৪০ সালে ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের ফুটবল দলে তোলা ছবি। নিচের সারিতে বাম থেকে তৃতীয়।

১৯৪৭ সালে কলকাতায় হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার প্রতিবাদে অনশন করছেন মহাত্মা গান্ধী ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। পেছনে দাঁড়িয়ে সে সময়ের তরুণ ছাত্রনেতা শেখ মুজিবুর রহমান।

সচিবালয়ের গেটে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে অবস্থান ধর্মঘটে পুলিশের হামলায় আহত সহযোদ্ধা শওকত আলীকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছেন শেখ মুজিবুর রহমান।

কারামুক্তির পর ১৯৪৯ সালের ২৬ জুন আওয়ামী লীগের কর্মীসভাতে যোগ দিতে যাচ্ছেন শেখ মুজিবুর রহমান।গাড়িতে আরও আছেন পিতা লুৎফর রহমান, শামসুল হক, ইয়ার মোহাম্মদ খান প্রমুখ।

১৯৪৯ সালে রাজনৈতিক গুরু হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে ভাষাশহীদদের স্মরণে রাজপথেই মোনাজাতে শরীক হয়েছেন শেখ মুজিবুর রহমানসহ রাজনৈতিক নেতারা।

রাজনৈতিক সহকর্মীদের সাথে শেখ মুজিবুর রহমান ও এম মনসুর আলী।

১৯৫২ সালে শান্তি সম্মেলনে গণচীন সফরে মহাপ্রাচীরে শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৫৩ সালের মে মাসে আরমানিটোলায় আওয়ামী মুসলিম লীগের জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৫৪ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে নৌকা ভ্রমণে শেখ মুজিবুর রহমান।

মন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানকে শপথবাক্য পাঠ করাচ্ছেন শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক।

মন্ত্রিসভার সদস্য খয়রাত হোসেন, শেখ মুজিবুর রহমান, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, আতাউর রহমান খান, শরৎচন্দ্র মজুমদার, মাহমুদ আলী। উপরের সারিতে ডান থেকে এম মনসুর আলী, ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, মশিউর রহমান, মনোরঞ্জন ধর ও আব্দুর রহমান খান।

১৯৫৬ সালে চীন সফরে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির চেয়ারম্যান এবং হেড অব স্টেট মাও সে তুংয়ের সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান। একই ছবিতে দুই জাতির পিতা।

ঢাকায় চীনের প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাইয়ের সংবর্ধনায় স্বাগত বক্তব্য পাঠ করছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান। পাশে দাঁড়ানো হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

১৯৫৭ সালের ৭ জুন মন্ত্রীসভার বৈঠকে পূর্ব বাংলার গভর্নর শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক ও মুখ্যমন্ত্রী আতাউর রহমান খানের সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও রাজনৈতিক শিক্ষাগুরু হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৫৭ সালে নয়াদিল্লিতে ভারতের রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সফরে কোয়ালিশন সরকারের মুখ্যমন্ত্রী আতাউর রহমান খান এবং মন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে টাঙ্গাইলের কাগমারীতে অনুষ্ঠিত আফ্রো-এশীয় সাংস্কৃতিক সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৬২ সালে স্বৈরাচারী আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। বক্তৃতা দিচ্ছেন শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৬২ সালে আইয়ুবের 'এবডো' জারির বিরুদ্ধে প্রতিবাদী বক্তব্য দিচ্ছেন শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৬৪ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি প্রভাতফেরিতে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, মহিউদ্দিন আহমেদ ও তাজউদ্দীন আহমেদের সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান।

ছয় দফার পক্ষে প্রতিবাদী ভাষণদানরত শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৬৬ সালের ২৩ এপ্রিল সিলেট থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে মেল ট্রেনে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

১৯৬৬ সালের ২০ জানুয়ারি। কারাদণ্ড প্রদানের পর শেখ মুজিবুর রহমানকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার এবং জেল মুক্তির পর কন্যা শেখ হাসিনার সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল শেখ মুজিবুর রহমান। পাশে আছেন বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব ও পুত্র শেখ কামাল।

১৯৬৯ সালে জেল থেকে বের হওয়ার পর ঢাকায় বিশাল জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয়। বক্তব্য দিচ্ছেন ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমেদ।

১৯৭০ এর নির্বাচনে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রচারণা সভায় শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭০ সালের নির্বাচনী প্রচারে শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বরের ঐতিহাসিক নির্বাচনে নিজের ভোট দিচ্ছেন শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭১ সালের ৩ জানুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের দলীয় সদস্যদের ছয় দফার পক্ষে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পথে শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

পাকিস্তানের উভয় পরিষদে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের সাত নারী নেত্রী ও তাজউদ্দীন আহমেদের সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ। রেসকোর্স ময়দানে মুক্তিকামী লাখো মানুষের মহাসমুদ্রে ঐতিহাসিক ভাষণে শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিলেন। ১৮ মিনিট ৩১ সেকেন্ডের এ ভাষণকে ইউনেস্কো বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দিয়েছে।

১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে জনতার অভিবাদনের জবাব দিচ্ছেন শেখ মুজিবুর রহমান। পেছনে দাঁড়িয়ে তাঁর জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা।

১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি, বার্মিংহামের জনসভা শেষে বেরিয়ে আসছেন শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে লন্ডনে প্রেস কনফারেন্সে শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭২ সালে লন্ডনে শেখ মুজিবুর রহমানকে অভ্যর্থনা জানান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথ। সাক্ষাৎ শেষে তিনি নিজে গাড়ির দরজা খুলে দিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানকে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানান।

অবশেষে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বদেশে ফিরলেন জাতির পিতা।

১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান ঘরে ফেরার পর আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব তাকে জড়িয়ে ধরেন। মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি।

মুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করছেন শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭২ সালের ৩১ জানুয়ারি ঢাকা স্টেডিয়ামে মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র জমাদান অনুষ্ঠানে জনতার অভিবাদনের জবাব দিচ্ছেন শেখ মুজিবুর রহমান।

ঢাকা স্টেডিয়ামে শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে অস্ত্র জমা দিচ্ছেন একজন মুক্তিযোদ্ধা।

১৯৭২ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যুদ্ধাহত এক মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে কথা বলছেন শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭২ সালে রাজাকার-আলবদরদের শাস্তির দাবিতে আন্দোলনরত শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্বজনদের সাথে কথা বলছেন শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭২ সালের ১২ মার্চ ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিদায়ী প্যারেড পরিদর্শন করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান।

জনতার মাঝে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে জাতীয় চার নেতা।

১৯৭২ সালে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর বাংলাদেশ সফর। সঙ্গে আছেন শেখ মুজিবুর রহমান, স্ত্রী শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব ও কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল।

১৯৭২ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের সুহৃদ মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি ও তাঁর স্ত্রী।

১৯৭২ সালে গণপরিষদে ভাষণ দিচ্ছেন শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭২ সালে ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে বিশ্ববরেণ্য চলচ্চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায়,স্বপ্না রায়, শ্যামল মিত্র, জয়ন্ত দাস, সুমিত্রা মুখার্জি, আপেল মাহমুদ, বরুণ বক্সী, অমল মুখার্জী, শেখ জামাল ও শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

১৯৭২ সালে ধানমন্ডির বাসায় শিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলাপরত শেখ মুজিবুর রহমান। সঙ্গে আছেন মুজিবকন্যা শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়।

দেশে ফিরে তেজগাঁও বিমানবন্দরে উপস্থিত বিপুল জনতার অভিবাদনের জবাব দিচ্ছেন শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের আজীবন সদস্যপদ লাভের অনুষ্ঠানে ছাত্রদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিচ্ছেন শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে মাঠে গড়ায় প্রথম ফুটবল লীগ। বঙ্গবন্ধু একাদশ ও রাষ্ট্রপতি একাদশের খেলা শুরুর আগমুহুর্তে।

১৯৭৩ সালের ১০ জানুয়ারি। জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত গম্ভীরা গানের এক বিশেষ অনুষ্ঠান শেষে নাটোরে শেখ মুজিবুর রহমান মাথায় মাথাল পরিয়ে দেন উচ্ছ্বসিত কলাকুশলীরা।

রংপুরে সার্কিট হাউজে শেখ মুজিবুর রহমানকে দেখতে এলে রংপুর গার্লস স্কুলের ছাত্রী জেনিফার এলির মাথায় হাত বুলিয়ে দেন শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭৩ সালে ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত উপকূল পরিদর্শনে শেখ মুজিবুর রহমান।

রেসকোর্স ময়দানের ইন্দিরা মঞ্চে আওয়ামী লীগের জনসভায় বক্তৃতা দিচ্ছেন শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর পাশে সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমানের কোলে শেখ রাসেল।

সফল বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলেন শেখ মুজিবুর রহমান। বিমানের সিঁড়িতেই তাকে অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

১৯৭৪ সালে যুবলীগের প্রথম কংগ্রেসে বক্তৃতা দিচ্ছেন শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭৫ সালের ১৭ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমান জন্মদিনে গণভবনে শিশুদের ঢল। শেখ মুজিবুর রহমানের পাশে কর্ণেল জামিল ও ব্যাক্তিগত কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন।

গণভবনে বদরুন্নেসা আহমেদ, সাজেদা চৌধুরী, আইভি রহমান, সাহারা খাতুন, মমতাজ বেগম, দুনিয়া বেগম, খালেদা খানমসহ মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭৫ সালে বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের উদ্বোধন শেষে গার্ড অব অনার গ্রহণ করছেন শেখ মুজিবুর রহমান। পাশে প্রধানমন্ত্রী এম মনসুর আলী।

কলকাতায় ব্রিগেড গ্রাউন্ডের বিশাল জনসমুদ্রে ভাষণ দিচ্ছেন শেখ মুজিবুর রহমান। পাশে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।

বার্মিংহাম প্যালেসে রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ ও ডিউক অব এডিনবার্গ ফিলিপের সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭৩ সালে আলজেরিয়ায় কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল ক্যাস্ত্রোর সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭৩ সালে মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সা'দাতকে আলিঙ্গন করছেন শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭৩ সালে আলজেরিয়ায় সৌদি বাদশাহ ফয়সালের সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান। এই সাক্ষাৎ থেকেই বাংলাদেশিদের পবিত্র হজ্জ্ব পালনের সুযোগ প্রদান প্রসঙ্গে আলোচনা শুরু হয়।

জাপানে রাষ্ট্রীয় সফরে গার্ড অব অনার গ্রহণ করছেন শেখ মুজিবুর রহমান। সঙ্গে রয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী কাকুয়েই তানাকা।

১৯৭৪ সালে লাহোরে মুসলিম রাষ্ট্রসমূহের ওআইসি সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭৪ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দিচ্ছেন শেখ মুজিবুর রহমান। বিশ্ব দরবারে বাংলা ভাষায় এটিই প্রথম ভাষণ।

শেখ মুজিবুর রহমানের রোগশয্যার পাশে স্ত্রী শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবুর রহমান।

বাবা-মায়ের সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান।

প্রিয় খোকাকে জড়িয়ে ধরে আছেন মা সায়েরা খাতুন।

শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সঙ্গে ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা অশোক কুমার তারা। দেশ স্বাধীনের পর যিনি শেখ মুজিবুর রহমান পরিবারের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন।

তেজগাঁও বিমানবন্দরে নাতি সজীব ওয়াজেদ জয়কে কোলে তুলে নিচ্ছেন শেখ মুজিবুর রহমান।

সন্তান শেখ হাসিনা, শেখ রাসেল ও দুই নাতি জয় আর পুতুলের সঙ্গে একান্ত সময়ে শেখ মুজিবুর রহমান।

বড় মেয়ে শেখ হাসিনা ও নাতি সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান।

পিতার আলিঙ্গনে ছোট সন্তান শেখ রাসেল।

শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনে আবাহনী ক্রীড়া চক্রের পক্ষ থেকে বাবাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন শেখ কামাল।

১৯৭৫ সালে পিতা শেখ লুৎফর রহমানের শয্যাপাশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

বড় ছেলে শেখ কামালের বিয়ের দিন পুত্রবধূ সুলতানা কামালের সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনা।

শেখ কামালের সহধর্মিণী সুলতানা কামালকে শরবত খাইয়ে দিচ্ছেন শেখ হাসিনা। পাশে বসে আছেন শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭৫ সালের ১৭ জুলাই। বড় ছেলে শেখ কামালের বিয়ের মাত্র তিন দিন পরই অনাড়ম্বরভাবে বিয়ে হয় শেখ জামালের। বিয়ের দিন শেখ কামাল, সুলতানা কামাল ও নতুন পুত্রবধূ পারভীন জামাল রোজী।

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসায় সপরিবারে খুন হন বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সিঁড়িতে পড়েছিলো তাঁর গুলিবিদ্ধ লাশ।

বেকার হোস্টেলের আবাসিক ছাত্র শেখ মুজিব যোগ দেন বেঙ্গল মুসলিম লীগে। নির্বাচিত হন ইসলামিয়া কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক।

দিল্লীতে শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাগত জানাচ্ছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি ভিভি গিরি, (১৯৭২)