mujib

ফটো আর্কাইভ

তরুণ ফুটবলার শেখ মুজিবুর রহমান (সামনের সারিতে বাঁ থেকে তৃতীয়) ১৯৪০।

কলকাতা ইসলামিয়া কলেজে (বর্তমানে মওলানা আজাদ কলেজ) পড়ার সময় শেখ মুজিবুর রহমান আবাসিক ছাত্র হিসেবে ‘বেকার গভর্নমেন্ট হোস্টেল’ এর ২৪ নং কক্ষে থাকতেন (১৯৪৬)। শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি সংরক্ষণার্থে কক্ষটিকে এখন জাদুঘরে পরিণত করা হয়েছে।

কলকাতায় হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার বিরুদ্ধে মহাত্মা গান্ধীর প্রতিবাদ সভায় তরুণ ছাত্র নেতা শেখ মুজিবুর রহমান (পেছনে দাঁড়ানো) এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। (১৯৪৭)।

বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে সচিবালয় গেইটে অবস্থান ধর্মঘটে পুলিশের হামলায় আহত সহযোদ্ধা শওকত আলীকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছেন শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৪৮)।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তির পর আওয়ামী লীগের কর্মীসভাতে যোগ দিতে যাচ্ছেন শেখ মুজিবুর রহমান।গাড়িতে আরও আছেন পিতা শেখ লুৎফর রহমান, শামসুল হক, ইয়ার মোহাম্মদ খান প্রমুখ (২৬ জুন, ১৯৪৯)।

রাজনৈতিক গুরু হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে তরুণ ছাত্রনেতা শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৪৯)

রাজনৈতিক সহকর্মীদের সাথে শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫২)।

চীনের বেইজিং- এ অনুষ্ঠিত এশিয়া-প্যাসিফিক রিম শান্তি সম্মেলনে পাকিস্তানের উদীয়মান জননেতা শেখ মুজিবুর রহমান (অক্টোবর ২-১২, ১৯৫২)।

ভাষা শহীদদের স্মরণে রাজপথেই মোনাজাতে শরিক হয়েছেন শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর সতীর্থরা (২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৩) ।

আরমানিটোলা ময়দানে আওয়ামী মুসলিম লীগের জনসভায় বক্তৃতাদানরত শেখ মুজিবুর রহমান (মে, ১৯৫৩) ।

নৌকায় চড়ে রাজশাহীতে নির্বাচনী প্রচারণায় যাচ্ছেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫৪) ।

যুক্তফ্রন্ট সরকারের মূখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় বন এবং কৃষি মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করছেন শেখ মুজিবুর রহমান ( ১৫ মে, ১৯৫৪)।

যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার সদস্য খয়রাত হোসেন, শেখ মুজিবুর রহমান, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, আতাউর রহমান খান, শরৎচন্দ্র মজুমদার, মাহমুদ আলী। উপরের সারিতে ডান থেকে এম মনসুর আলী, ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, মশিউর রহমান, মনোরঞ্জন ধর ও আব্দুর রহমান খা (১৯৫৪) ।

পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও রাজনৈতিক শিক্ষাগুরু হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫৬)।

ঢাকায় চীনের প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাইয়ের সংবর্ধনা সভায় স্বাগত বক্তব্য পাঠ করছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান। পাশে দাঁড়ানো হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬) ।

টাঙ্গাইলের কাগমারিতে অনুষ্ঠিত আফ্রো-এশীয় সাংস্কৃতিক সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান, সাথে আরো আছেন মাওলানা ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া ( ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৭)।

মন্ত্রীসভার বৈঠকে পূর্ব বাংলার গভর্নর শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক ও মূখ্যমন্ত্রী আতাউর রহমান খানের সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান (৭ জুন, ১৯৫৭) ।

নয়াদিল্লিতে ভারতের রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তফ্রন্ট সরকারের মূখ্যমন্ত্রী আতাউর রহমান খান এবং মন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৫৭) ।

চীনা কমিউনিস্ট পার্টির চেয়ারম্যান এবং হেড অব স্টেট মাও সে তুঙের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করছেন শেখ মুজিবুর রহমান (অক্টোবর, ১৯৫৭)।

কারামুক্ত হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে সাথে নিয়ে আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী বক্তব্য রাখছেন শেখ মুজিবুর রহমান (১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৬২) ।

পাকিস্তানের সামরিক স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের 'এবডো' (দি ইলেকটিভ বডি ডিসকোয়ালিফিকেশন অর্ডার) জারির বিরুদ্ধে প্রতিবাদী বক্তব্য দিচ্ছেন শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৬২) ।

শহীদ দিবসের প্রভাতফেরিতে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, মহিউদ্দিন আহমেদ ও তাজউদ্দীন আহমেদের সঙ্গে শেখ মুজিবুর রহমান (২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৪) ।

লাহোরে, পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের পক্ষে বাঙালির মুক্তির সনদ ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করছেন শেখ মুজিবুর রহমান ( ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬)।

সিলেট জজ কোর্ট থেকে জামিন লাভের পর মেইল ট্রেইন করে যাচ্ছেন শেখ মুজিবুর রহমান (২৩ এপ্রিল, ১৯৬৬) ।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের অভ্যন্তরে স্থাপিত স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে নেয়ার পথে শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৬৯) ।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার এবং কারামুক্তির পর কন্যা শেখ হাসিনার সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, পাশে আছেন বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব ও পুত্র শেখ কামাল (১৯৬৯) ।

অবিস্মরণীয় গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে কারামুক্ত শেখ মুজিবুর রহমানকে ছাত্র-জনতা কর্তৃক বিশাল সংবর্ধনা প্রদানের পাশাপাশি “বঙ্গবন্ধু” উপাধিতে ভূষিত করা হয়। (২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯) ।

ঢাকার তেজগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রচারণা সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৭০) ।

ট্রেনে নির্বাচনী প্রচারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৭০) ।

সত্তরের ঐতিহাসিক নির্বাচনে নিজের ভোট প্রদান করছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৭০) ।

সত্তরের নির্বাচনের ফলাফল শুনছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পাশে তাজউদ্দিন আহমেদ এবং আওয়ামী লীগের সাত নারী নেত্রী (১৯৭০) ।

জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের দলীয় সদস্যদের ছয় দফার পক্ষে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান উপলক্ষে রেসকোর্স ময়দানের পথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ (৩ জানুয়ারি, ১৯৭১) ।

‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম’- রেসকোর্স ময়দানে মুক্তিকামী লাখো মানুষের মহাসমুদ্রে এক ঐতিহাসিক ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দিলেন স্বাধীনতার ডাক (৭ মার্চ, ১৯৭১)। ১৯ মিনিটের এই ভাষণকে ইউনেস্কো বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দিয়েছে।

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে জনতার অভিবাদনের জবাব দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পেছনে দাঁড়িয়ে তাঁর জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা (২৩ মার্চ, ১৯৭১) ।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চ লাইট শুরুর পূর্ব মুহূর্তে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যায়। করাচি এয়ারপোর্টে পাক সৈন্য বেষ্টিত বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (৪ এপ্রিল, ১৯৭১)

নিউজ উইক ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। নিউজ উইকের এই সংখ্যায় বঙ্গবন্ধুকে ‘পোয়েট অব পলিটিকস’ উপাধি দেয়া হয় (৫ এপ্রিল, ১৯৭১) ।

লন্ডনের ক্লেরিজেস হোটেলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (৮ জানুয়ারি, ১৯৭২) ।

পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে লন্ডনের ক্লেরিজেস হোটেলের প্রেস কনফারেন্সে বিশ্ব মিডিয়ার মুখোমুখি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (৮ জানুয়ারি, ১৯৭২) ।

লন্ডনের ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিটে বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথ। (জানুয়ারি, ১৯৭২) ।

দেশে ফিরে তেজগাঁও বিমানবন্দরে উপস্থিত বিপুল জনতার অভিবাদনের জবাব দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। (১০ জানুয়ারি, ১৯৭২) ।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘরে ফেরার পর আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব তাকে জড়িয়ে ধরেন। মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি (১০ জানুয়ারি, ১৯৭২) ।

মুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১২ জানুয়ারি, ১৯৭২) ।

ঢাকা স্টেডিয়ামে মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র জমাদান অনুষ্ঠানে জনতার অভিবাদনের জবাব দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (৩১ জানুয়ারি, ১৯৭২) ।

ঢাকা স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে অস্ত্র জমা দিচ্ছেন একজন মুক্তিযোদ্ধা (৩১ জানুয়ারি, ১৯৭২) ।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যুদ্ধাহত এক মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে কথা বলছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৭২) ।

কলকাতায় গড়ের মাঠের বিশাল জনসমুদ্রে ভাষণ দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পাশে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী (৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২)

রাজাকার-আলবদরদের শাস্তির দাবিতে আন্দোলনরত শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্বজনদের সাথে কথা বলছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৭২) ।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে দেখা করতে এলেন মুক্তিযুদ্ধের সুহৃদ মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি ও তাঁর স্ত্রী। ছবিতে আরো আছেন বঙ্গবন্ধুর তিন পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল এবং শেখ রাসেল (১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২) ।

স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম শহীদ দিবস উদযাপনে বক্তৃতা দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২) ।

দৈনিক বাংলার বাণী পত্রিকার উদ্বোধনী সংখ্যা দেখছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর পাশে পত্রিকার সম্পাদক-প্রকাশক শেখ ফজলুল হক মনি (২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২) ।

ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে বিশ্ববরেণ্য চলচ্চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায়, সংগীত শিল্পী শ্যামল মিত্র, স্বপ্না রায়, জয়ন্ত দাস, সুমিত্রা মুখার্জি, আপেল মাহমুদ, বরুণ বক্সী, অমল মুখার্জী, শেখ জামাল (ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২)।

ধানমন্ডির বাসায় কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলাপরত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সঙ্গে আছেন মুজিবকন্যা শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ (ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২) ।

সোভিয়েত ইউনিয়ন সফরে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, স্বাগত জানাচ্ছেন সোভিয়েত নেতা আলেক্সাই কোসিগিন (১ মার্চ, ১৯৭২) ।

সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রেমলিনে বক্তৃতারত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (মার্চ, ১৯৭২)।

বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিদায়ী প্যারেডে অভিবাদন গ্রহণ করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১২ মার্চ, ১৯৭২) ।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর বাংলাদেশ সফর। বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৭ মার্চ, ১৯৭২) ।

বাংলাদেশ সফরে ইন্দিরা গান্ধী। সঙ্গে আছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, স্ত্রী শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব ও কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল (১৭ মার্চ, ১৯৭২) ।

সফররত ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সাথে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৮ মার্চ, ১৯৭২) ।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সাথে সস্ত্রীক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (মার্চ, ১৯৭২) ।

গণপরিষদের অধিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১০ এপ্রিল, ১৯৭২)।

রংপুরে সার্কিট হাউজে বঙ্গবন্ধুকে দেখতে এলে রংপুর গার্লস স্কুলের ছাত্রী জেনিফার এলির মাথায় হাত বুলিয়ে দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১১ মে, ১৯৭২)।

স্বাধীনতার পরপরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ কর্তৃক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আজীবন সদস্যপদ প্রদান ও সংবর্ধনা দেয়া হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ছাত্রদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (৬ মে, ১৯৭২)।

জাতিসংঘের মহাসচিব কুর্ট ওয়াইল্ডহেমের সাথে আলোচনারত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (২৭ নভেম্বর, ১৯৭২)

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রোগশয্যার পাশে স্ত্রী শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব।

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ফুটবল লীগের প্রথম ম্যাচে টিম বঙ্গবন্ধু একাদশ এবং প্রেসিডেন্ট একাদশের সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। (ফেব্রুয়ারি ১৩, ১৯৭২)।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁঁর পরিবারের সঙ্গে ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা মেজর অশোক কুমার তারা। দেশ স্বাধীনের পর যিনি বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বন্দিদশা থেকে মুক্ত করেন।

বড় মেয়ে শেখ হাসিনা ও নাতি সজীব ওয়াজেদের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

রেসকোর্স ময়দানের (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ইন্দিরা মঞ্চে আওয়ামী লীগের জনসভায় বক্তৃতা দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

জনতার মাঝে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর সঙ্গে জাতীয় চার নেতা।

জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত গম্ভীরা গানের এক বিশেষ অনুষ্ঠান শেষে নাটোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মাথায় মাথাল পরিয়ে দেন উচ্ছ্বসিত কলাকুশলীরা (১০ জানুয়ারি, ১৯৭৩) ।

স্বাধীন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত প্রথম সাধারণ নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (মার্চ, ১৯৭৩) ।

কানাডার অটোয়ায় কমনওয়েলথের সরকার প্রধানদের সম্মেলনে রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (আগস্ট, ১৯৭৩)।

জাম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট কেনেথ কাউন্ডার সাথে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (৩ আগস্ট, ১৯৭৩) ।

আলজেরিয়ায় জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে বক্তৃতা দেয়ার সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩) ।

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট হাফিজ আল-আসাদের সাথে করমর্দনরত প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩) ।

আলজেরিয়ায় জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল ক্যাস্ত্রোর সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩) ।

মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সা'দাতকে আলিঙ্গন করছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৭৩) ।

আলজেরিয়ায় জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে সৌদি বাদশাহ ফয়সালের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এই সাক্ষাৎ থেকেই বাংলাদেশিদের পবিত্র হজ্জ্ব পালনের সুযোগ প্রদান প্রসঙ্গে আলোচনা শুরু হয় (১৯৭৩) ।

জাপানে রাষ্ট্রীয় সফরে গার্ড অব অনার গ্রহণ করছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সঙ্গে রয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী কাকুয়েই তানাকা (অক্টোবর, ১৯৭৩) ।

হযরত আব্দুল কাদির জিলানী (রঃ)-এর মাজার থেকে পাঠানো নকশা করা একটি “গিলাফ” গ্রহণ করছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

মালয়েশিয়ার রাজা আব্দুল হালিমের সাথে আলোচনারত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (৩ ডিসেম্বর, ১৯৭৩) ।

পিতা–মাতাসহ সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

আহাররত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, পাশে দাঁড়িয়ে আছেন স্ত্রী শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব।

ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত উপকূলে সর্বস্ব হারানো মানুষের দুঃখ দুর্দশার বিবরণ শুনছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৭৩) ।

বাবা শেখ লুৎফর রহমান এবং মা শেখ সায়েরা খাতুনের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

প্রিয় খোকাকে জড়িয়ে ধরে আছেন মা শেখ সায়েরা খাতুন।

তেজগাঁও বিমানবন্দরে নাতি সজীব ওয়াজেদকে কোলে তুলে নিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

বাংলা সাহিত্য সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪) ।

বাংলাদেশ সফরকারী মিশরীয় ট্রেড মিশনের একজন সদস্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পবিত্র কুরআনের ক্যালিওগ্রাফি উপহার দিচ্ছেন।

লাহোরে মুসলিম রাষ্ট্রসমূহের ওআইসি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪) ।

বার্মার প্রেসিডেন্ট নে উইন-এর সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (২৮ এপ্রিল, ১৯৭৪) ।

প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে সেনেগালের প্রেসিডেন্ট লিওপল্ড সেদর সেংঘর (মে, ১৯৭৪) ।

ঐতিহাসিক মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি স্বাক্ষরকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৬ মে, ১৯৭৪) ।

মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি স্বাক্ষরের পর হাস্যোজ্জ্বল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৬ মে, ১৯৭৪) ।

বাংলাদেশ সফরে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভি. ভি. গিরি। উষ্ণ আলিঙ্গনের মাধ্যমে সাদর অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৫ জুন, ১৯৭৪)।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বিশ্ব দরবারে বাংলা ভাষায় এটিই প্রথম ভাষণ (২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪) ।

হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জেরাল্ড ফোর্ডের সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১ অক্টোবর, ১৯৭৪) ।

ইরাকের প্রেসিডেন্ট আহমেদ হাসান আল বকরের সাথে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (৮ অক্টোবর, ১৯৭৪) ।

সাদ্দাম হোসেন এবং ইরাকের বিপ্লবী কমান্ড কাউন্সিলের সাথে আলোচনারত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (অক্টোবর, ১৯৭৪) ।

কুয়েতের আমিরের সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১০ নভেম্বর, ১৯৭৪)।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে আলোচনারত সংযুক্ত আরব-আমিরাতের প্রতিষ্ঠাতা এবং আমির শেখ জায়েদ বিন সুলতান-আল-নাহিয়ান (১৮ ডিসেম্বর, ১৯৭৪)।

যুবলীগের প্রথম কংগ্রেসে বক্তৃতা দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৭৪)।

পল্লীকবি জসীম উদ্‌দীনের সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

সন্তান শেখ হাসিনা, শেখ রাসেল ও দুই নাতি সজীব ওয়াজেদ এবং সায়েমা ওয়াজেদের সঙ্গে একান্ত সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আলিঙ্গনে কনিষ্ঠ সন্তান শেখ রাসেল।

পিতা শেখ লুৎফর রহমানের শয্যাপাশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

মন্ত্রীসভার মিটিঙে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

গণভবনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে বদরুন্নেসা আহমেদ, সাজেদা চৌধুরী, আইভি রহমান, সাহারা খাতুন, মমতাজ বেগম, দুনিয়া বেগম, খালেদা খানমসহ মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

কর্মস্থলের পথে যাওয়ার সময় জনতার উদ্দেশ্যে হাত নাড়ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

সফল বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বিমানের সিঁড়িতেই তাকে অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনে গণভবনে শিশুদের ঢল। বঙ্গবন্ধুর পাশে কর্ণেল জামিল ও ব্যক্তিগত সচিব মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন (১৭ মার্চ, ১৯৭৫) ।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শেষ জন্মদিনে আবাহনী ক্রীড়া চক্রের পক্ষ থেকে পিতাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন পুত্র শেখ কামাল (১৭ মার্চ, ১৯৭৫)।

বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের উদ্বোধন শেষে গার্ড অব অনার গ্রহণ করছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পাশে প্রধানমন্ত্রী এম মনসুর আলী (১৪ জুন, ১৯৭৫)।

জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামালের বিয়ের দিন পুত্রবধূ সুলতানা কামালের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং কন্যা শেখ হাসিনা (১৪ জুলাই, ১৯৭৫)।

শেখ কামালের সহধর্মিণী সুলতানা কামালকে শরবত খাইয়ে দিচ্ছেন শেখ হাসিনা। পাশে বসে আছেন হাস্যোজ্জ্বল শ্বশুর বঙ্গবন্ধু (জুলাই, ১৯৭৫) ।

নবদম্পতি শেখ জামাল এবং পারভীন জামাল রোজীর সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামালের বিয়ের মাত্র তিন দিন পরই অনাড়ম্বরভাবে বিয়ে হয় শেখ জামালের। ছবিতে আরো আছেন শেখ কামাল এবং তাঁর স্ত্রী সুলতানা কামাল (১৭ জুলাই, ১৯৭৫)।

১৫ আগস্টের ভোরে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাংলাদেশের স্থপতি, বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে নিজ বাসভবনে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী ও উচ্চাভিলাষী বিশ্বাসঘাতক অফিসারদের হাতে সপরিবারে নিহত হন। দুই কন্যা শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহানা বিদেশে অবস্থান করায় সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে যান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির ইতিহাসে অন্ধকারতম দিন। বাঙালি জাতি এই দিনটিকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করে এবং সাথে সাথে স্মরণ করে বিশাল হৃদয়ের সেই মহাপ্রাণ মানুষটিকে যিনি তাঁর সাহস, শৌর্য, আদর্শের মধ্য দিয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন বাঙালি জাতির অন্তরে।